Phone-Screen-Size

►►► পরিচিতি >
xxxxxxxxxxxxxxxxxxxx->
► আজকের পোস্টে মোবাইল ফোনের স্পেকে লেখা থাকা ডিসপ্লের বিভিন্ন প্রোপারটিজ সম্পর্কে বিস্তারিত বোঝানো হবে।

►► Display Color > এটা দিয়ে স্ক্রীন কতগুলো রং দেখাতে পারে তা বুঝায়। এটা 16M,16.7M 256K,56K এভাবে লেখা থাকে। এখানে M মানে Mega(১০ লাখ/1 milion) আর K মানে Kilo (১ হাজার) । 16.7M নির্দিষ্ট করে লিখলে 16777216 কালার মানে 1 কোটি 67 লাখ 77 হাজার 2 শত 56 টি কালার। এটাকে সর্বোচ্চ কালার বলা যেতে পারে কারন এর বেশী কালার ফোনে ব্যবহৃত কোন স্ক্রীন এখনও দেখাতে পারে না। এভাবেই 16M = ১ কোটি ৬০ লাখ, 256k = 2 লাখ 56 হাজার, 65k = ৫৬ হাজার কালার। কালার যত বেশী স্ক্রীন ততো বাস্তব এবং সুন্দর দেখাবে।

►► Display Size > এটা দিয়ে ডিসপ্লের আকার বুঝায় মানে ডিসপ্লেটি কত বড় সেটা তবে স্ক্রীনের কোণাকুণি মাপ। এটি সাধারনত ইঞ্চিতে লেখা থাকে। যেমন 3.5inch, 4inch, 4.5inch, 5inch এমন. আবার 4”, 5” এভাবেও লেখা থাকতে পারে। এর মধ্যে 4.5 ইঞ্চিটাকেই বলা চলে স্মার্ট ফোনের জন্য আদর্শ সাইজ। এর ছোটগুলোতে কাজ করতে বা ভিডিও দেখতে যেমন ভাল লাগবে না তেমনি এর বড় গুলো হেন্ডেল করতে অনেক সমস্যা হতে পারে যেমন দু হাত ছাড়া ব্যবহার করতে না পারা, সাধারন পকেটে রাখতে না পারা, স্ক্রীন ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশী হওয়া এসব। তবে বড় স্ক্রীনে গেম খেলে বা ভিডিও দেখে বা কাজ করেও মজা পাবেন। আর স্ক্রীন যত বড় হবে তা আপনার ব্যাটারির চার্জও ততো বেশী খাবে। আর ফোনের সবচেয়ে বেশী চার্জ যেহেতু স্ক্রীনই খায় তাই এটা অবশ্যই বিবেচনায় আনবেন।

►► Pixel > সহজ ভাষায় বললে স্ক্রীন যা দিয়ে আপনাকে দেখায় সেগুলোই পিক্সেল। একটা বাড়ি যেমন ইট দিয়ে তৈরি তেমনি একটা স্ক্রীনও পিক্সেল দিয়ে তৈরি। স্ক্রীন এর কাছে চোখ নিয়ে দেখতে পারেন ছোট ছোট এই পিক্সেল গুলোকে যা টিভির স্ক্রীনে আরও সহজেই দেখা যায়। পিক্সেল যত ছোট স্ক্রীনের ক্লিয়ারনেস এবং তীক্ষ্ণতা ততো ভাল।

►► Screen Resolution > এটা দিয়ে বুজায় আপনার স্ক্রীনে কতটা পিক্সেল আছে। একই সাইজের স্ক্রীনের ক্ষেত্রে রেজোলিউশান যত বেশী পিক্সেল ততো ছোট আর স্ক্রীনের ক্লিয়ারনেসও ততো বেশী হবে। এটা সাধারনত এভাবে লেখা থকে যেমন, 480×800. এর মানে হল স্ক্রীন এর আনুভূমিক বা পাশাপাশি ভাবে ৪৮০ টা করে পিক্সেল আর উল্লম্বভাবে মানে খাড়া/লম্বা ভাবে ৮০০ করে পিক্সেল আছে। মানে টোটাল 480×800=384000 টি পিক্সেল আছে। বেশী রেজোলিউশান এর একটা নেগেটিভ দিক হল GPU এর কাজকে একটু স্লো করে দেয়। মানে রেজোলিউশান বেশী হলে GPU ও বেশী পাওয়ারফুল হতে হবে। উদাহরন স্বরূপ দুটি আলাদা ডিসপ্লে রেজোলিউশান এর ফোনে যদি একি GPU দেয়া থাকে তবে বেশী রেজোলিউশান এর ফোনের চেয়ে কম রেজোলিউশান এর ফোনে পারফমেন্স ভালো পাবেন । বিশেষত গেম এর ক্ষেত্রে। দেখা যাবে একি গেম ছোট স্ক্রীনে স্মুথলি চলছে আর বড়টাতে আটকে যাচ্ছে। কাজেই বেশী রেজোলিউশান এর সহজ ভাবে বললে বড় সচ্রীনের ফোন কিনলে গেমের ইচ্ছা থাকলে GPU এবং CPU ও বেশী পাওয়ারফুল দেখে কিনবেন। বিভিন্ন রেজোল্যুশনের আবার সাইজ অনুসারে নাম আছে যা অনেক সময় লেখা থাকে যেমন,
> QQVGA (Quarter Quad Video Graphics Array) = 120×160
> HQVGA (Half Quad Vide Graphics Array) = 160×240
> CVGA = 200×320
> QVGA (Quarter Video Graphics Array) = 240×320
> WQVGA (Wider Quarter Video Graphics Array) = 240×360. 240×384, 240×400
> FWQVGA (Full Wide Quad Video Graphics Array) = 240×432
> HVGA (Half Video Graphics Array) =320×480
> MDA, HGC, EGA = 350×720
> nHD (ninth of High Definition) = 360×640
> VGA (Video Graphics Array)= 480×640
> WVGA (Wider Video Graphics Array) = 480×720, 480×800
> FWVGA (Full Wide Video Graphics Array) = 480×854
> qHD (quarter of High Devinition) = 540×960
> WSVGA (Wide Super Video Graphics Array) = 576×1024, 600×1040
> SVGA (Super Video Graphics Array) = 600×800
> DVGA (Double Video Graphics Array) = 640×960
> HD (High Definition) = 720×1280
> XGA (eXtended Graphics Array) = 768×1024
> WXGA (Wide eXtended Graphics Array) = 800×1280, 768×1152, 768×1280,768×1366
> XGA+ (eXtended Graphics Array +) = 864×1152
> WXGA+ (Wide eXtended Graphics Array +) = 900×1440
> HD+ (High Definition +) = 900×1600
> SXGA- (Super eXtended Graphics Array -) = 960×1280
> WSXGA (Wide Super eXtended Graphics Array) = 960×1440
> SXGA (Super eXtended Graphics Array) = 1024×1280
> SXGA+ (Super eXtended Graphics Array +) = 1050×1400
> WSXGA+ (Wide Super eXtended Graphics Array +) = 1050×1680
> FHD (Full High Definition)/2K (2 Kilo) = 1080×1900
> QWXGA (Quad Wide eXtended Graphics Array) = 1152×2048
> UXGA (Ultra eXtended Graphics Array) = 1200×1600
> WUXGA (Wide Ultra eXtended Graphics Array) = 1200×1920
> QHD (Quad High Definition)= 1440×2560
> QXGA (Quad eXtended Graphics Array) = 1536×2048
> WQXGA (Wide Quad eXtended Graphics Array) = 1600×2560
> WQXGA+ (Wide Quad eXtended Graphics Array) = 1800×3200
> QSXGA (Quad Super eXtended Graphics Array) = 2048×2560
> WQSXGA (Wide Quad Super eXtended Graphics Array) = 2048×3200
> UHD (Ultra High Definition)/4K (4 Kilo) = 2160×3840, 2160×5120
> QUXGA (Quad Ultra eXtended Graphics Array) = 2400×3200
> WQUXGA (Wide Quad Ultra eXtended Graphics Array) = 2400×3840
> UHD+ (Ultra High Definition +) = 2880×5120
> HXGA (Hex eXtended Graphics Array) = 3072×4096
> WHXHA (Wide Hex eXtended High Definition) = 3200×5120
> HSXGA (Hex Super eXtended Graphics Array) = 4096×5120
> WHSXGA (Wide Hex Super eXtended Graphics Array) = 4096×6400
> FUHD (Full Ultra High Definition)/8K (8 Kilo) = 4320×7680
> HUXGA (Hex Ultra eXtended Graphics Array) = 4800×6400
> WHUXGA (Wide Hex Ultra Extended Graphics Array) = 4800×7680
> QUHD (Quad Ultra High Definition)/16K (16 Kilo) = 8640×15360

►► Pixel Density > শুধু রেজোলিউশান বেশী বা শুধু পিক্সেল বেশী বা শুধু স্ক্রীন সাইজ বড় দিয়ে বুঝা যায় না যে স্ক্রীন কত ক্লিয়ার হবে কারন ভিন্ন সাইজের স্ক্রীনে একই রেজোলিউশান বা পিক্সেল সংখ্যা থাকতে পারে। যেমন যদি ৪ ইঞ্চি আর ৫ ইঞ্চি স্ক্রীনের রেজোলিউশান এবং পিক্সেল একই সমান হয় তবে ৪ ইঞ্চির স্ক্রীন বেশী ক্লিয়ার হবে কারন ৫ ইঞ্চির বড় জায়গায় যে পিক্সেল দেয়া হয়েছে ৪ ইঞ্চির ছোট জায়গায় সেই পরিমান পিক্সেল দিতে পিক্সেল সাইজ ছোট করতে হয়েছে। আর এটাই সহজ ভাবে বুঝার জন্য পিক্সেল ডেনসিটি বা পিক্সেলের ঘনত্ব কাজে আসে। যদিও এটা স্ক্রীন সাইজ আর রেজোলিউশান থেকে হিসাব করে এমনিই বের করা যায় তবে ব্যবহারকারীদের কষ্ট কমাতে এটাও লিখা থাকে। যেমন, 207ppi মানে 207 pixel per inch, মানে স্ক্রীনের প্রতি ইঞ্চিতে ২০৭ টা পিক্সেল আছে। কাজেই দুটো ফোনের স্ক্রীন ক্লিয়ারনেস এবং স্মুথনেস কোনটার ভাল হবে তা সহজে বুঝার উপায় হল পিক্সেল ডেনসিটি। এটা PPI ছাড়াও PPCM (Pixel Per CentiMeter) বা PPD (Pixel Per Digree) হিসেবেও লেখা থাকতে পারে।

►► Aspect Ratio > শুধু উপরের তথ্যগুলো দিয়ে একটা স্ক্রীন বাস্তবে দেখতে কেমন হবে তা অনেক ক্ষেত্রেই বুঝা যায় না। যেমন, মোটা ধরনের নাকি লম্বা ধরনের নাকি বর্গাকার, আয়তাকার নাকি অন্য রকম। এটা বুঝতেই ব্যবহার করা হয় aspect ratio. এটা সাধারনত width এবং height এর অনুপাত বুঝায়। যেমন 3:4 বলতে বুঝায় স্ক্রীনটা যে মাপে লম্বায় ৪ খণ্ড করা যাবে সেই মাপে প্রস্থ ৩ খণ্ড করা যাবে মানে স্ক্রীনটা দেখতে লম্বায় কিছুটা আয়তাকার হবে।

►► Clear Back Technology > অনেক সময়ই স্ক্রীন এর ক্ষেত্রে এটা লেখা থাকে আর এর সুবিধা হল এটা স্ক্রীনের প্রতিফলন কমায় ফলে স্ক্রীন বেশী আলোতেও আরও ক্লিয়ার দেখায়। এছাড়া সাইড থেকেও স্ক্রীন আরও বেশী ভাল দেখায়।

►► Clear Motion > এটা বলতে বুঝায় ডিসপ্লেটা কত দ্রুত রিফ্রেশ হয়ে ভিডিও দেখাতে পারে। এটা থাকলে ভিডিও অনেক স্মুথ দেখাবে।

►► live color technology > এটা কালারগুলোকে আরও ডীপ করে ফেকাশে ভাব দূর করে ফলে স্ক্রীন আরও বাস্তব মনে হয়। ।

►► x-reality display engine > এটা স্ক্রীনের নয়েস কমায় এবং কন্ট্রাস্ট ঠিক করে। ফলে স্ক্রীন আরও ক্লিয়ার দেখায়।

►► Primary Display > এটা বলতে ফোনের সামনে থাকা মেইন ডিসপ্লেটাকে বুঝায়।

►► secondary/Additional/Assistive Display > সামনের মেইন ডিসপ্লে ছাড়াও যদি ফোনে অন্য কোন ডিসপ্লে দেয়া থাকে তবে সেটাকে সেকেন্ডারি ডিসপ্লে বলে।

►►► বিশেষ সতর্কতা >
xxxxxxxxxxxxxxxxxxxx->
► পোস্টটি সম্পূর্ণরূপে ”টেকবার্কস” এর নিজস্ব পোস্ট। পোস্ট লিংক শেয়ার করতে পারেন তবে অনুমতি এবং কার্টেসি ছাড়া কপি করবেন না। আপনি অন্য কোথাও এই পোস্ট দেখে থাকলে তা আমার পোস্টেরই কপি মাত্র।
==========xXx==========

>>> টেকনায়নে টেকবার্কস <<<

(23)

ফেসবুক থেকে কমেন্ট করুন

আরও কিছু বার্কস

>> বার্কটি শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*